জাতীয় প্রচ্ছদ সারাদেশ

অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের সহকারী পরিচালক (এএসপি) আবুল হাশেম, চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া থানার সাবেক ওসি মো. রেফায়েত উল্লাহ, লোহাগাড়া থানার সাবেক ওসি মো. শাহাজাহান, সিএমপির পাঁচলাইশ থানার ওসি আবুল কাশেম ভূঁইয়া, সিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার এবিএম সাহাদাৎ হোসেন মজুমদার, সিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সাবেক (বন্দর-টিআই প্রশাসন) আবুল কাশেম চৌধুরী, টেকনাফ মডেল থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

এসব পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ- তারা ক্রসফায়ারের ভয় দেখানোসহ নানাভাবে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এসব কর্মকর্তার দুর্নীতির চিত্র সংক্ষেপে তুলে ধরা হল

আবুল হাশেম :  দুদকের অনুসন্ধানে তার বিরুদ্ধে মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের খোঁজ পাওয়া যায় এক কোটি দুই লাখ ৩৭ হাজার ৪১৩ টাকার।

সাহাদাৎ হোসেন মজুমদার : সাহাদাৎ ও তার স্ত্রী-সন্তানদের নামে দুই কোটি ২১ লাখ ১৩ হাজার ৯০০ টাকার স্থাবর সম্পদ ও ৪৪ লাখ ৩০ হাজার ৫০০ টাকার অস্থাবর সম্পদ পাওয়া গেছে।

রেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী : ফ্ল্যাট কেনা বাবদ ২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি ছয়টি চেকের মাধ্যমে ৪১ লাখ ৫০ হাজার টাকা তিনি এক ব্যক্তিকে পরিশোধ করেন।

মো. শাহজাহান : দুই কোটি ৬৪ লাখ ২৭ হাজার ৭০০ টাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।

টিআই আবুল কাশেম চৌধুরী : কাশেম ও তার স্ত্রী ফাতিমা বেগমের বিরুদ্ধে ৫৫ লাখ ২২ হাজার ৪৬৩ টাকাসহ নামে-বেনামে স্থাবর সম্পত্তি থাকার খোঁজ পেয়েছে দুদক।


বুল কাশেম ভূঁইয়া : ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে পাঁচলাইশ থানার ওসি কাশেম ভূঁইয়াসহ ছয় পুলিশ সদস্য ও তিন সোর্সের বিরুদ্ধে মামলা করেন নগরীর পতেঙ্গা এলাকার বাসিন্দা নুরুল আবছার। মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছেন দুদক।