২০ মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক

বাংলাদেশ

সেনাবাহিনীর অফিসার পরিচয় দিয়ে একের পর এক মেয়েদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন তিনি। এরপর তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে তা ভিডিও করতেন। পরে ওই ভিডিও হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে মেয়ের পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায় করতেন। এভাবে তার ফাঁদে এ পর্যন্ত অন্তত ২০টি মেয়ে পা দেয়। শেষ পর্যন্ত যশোরের বাঘারপাড়া থানায় দায়ের হওয়া একটি ধর্ষণ মামলায় পুলিশের কাছে ধরা পড়েছেন আশরাফুল মোল্লা। এলাকায় ‘সুমন আর্মি’ নামেও তার পরিচিতি রয়েছে। তার কাছ থেকে সেনাবাহিনীর পোশাক, কয়েকটি ভুয়া পরিচয়পত্র, ১৩টি মোবাইল সিম ও মোবাইল ফোনে থাকা ধর্ষণের ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে। আশরাফুল মোল্লা নড়াইল জেলার বোড়ামারা গ্রামের আকবর মোল্লার ছেলে। তিনি যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখান থেকে ডিবি পুলিশের একটি টিম তাকে আটক করে। গতকাল দুপুরে পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, বাঘারপাড়া থানার ধর্ষণ মামলার আসামি হিসেবে আশরাফুল মোল্লাকে আটক করা হয়েছে। তার বাসা থেকে সেনাবাহিনীর পোশাক, কয়েকটি ভুয়া পরিচয়পত্র, ১৩টি মোবাইল ফোনের সিম উদ্ধার করা হয়। তার মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও পাওয়া গেছে। আশরাফুল স্বীকার করেছেন, সেনাবাহিনীর অফিসার পরিচয় দিয়ে তিনি মেয়েদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। পরে তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে তা ভিডিওতে ধারণ করতেন। সেই ভিডিও দেখিয়ে পরিবারের লোকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করতেন। তার বিরুদ্ধে নড়াইল, রাজশাহী ও যশোরের বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।