রাজধানীতে তীব্র গণপরিবহন সংকট

জাতীয়

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে দেখা দিয়েছে গণপরিবহনের তীব্র সংকট। রাজধানীর ভেতরে ও আশেপাশ থেকে দূরপাল্লার বাস কম চলাচল করছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।

মঙ্গলবার (৬ নভেম্বর) সকাল থেকেই রাজধানীতে দেখা দিয়েছে গণপরিবহনের সংকট। তবে গণপরিহণ কম থাকলেও কিছু কিছু এলাকায় যানজট দেখা গেছে।

মোহাম্মাদপুর থেকে মতিঝিল যাওয়ার জন্য রওনা দিয়েছিলেন কাজী রিয়াদ। কিন্তু তিনি প্রায় দুই ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকেও কোনো বাস পাননি। শুধু কাজী রিয়াদ নয়, রাজধানীতে কাজে বের হওয়া অনেক যাত্রীই পড়েছেন এমন বিপাকে। গণপরিবহন সংকটের মধ্যেও পায়ে হেটে জাতীয় ঐক্যজোটের জনসমাবেশ স্থলে আসতে দেখা গেছে হাজার হাজার নেতাকর্মীদের।

রাজধানীর গুলিস্তান থেকে শাহবাগ ও রামপুরাগামী সড়কের উভয় পাশে থেমে থেমে চলছে যানবাহন। একই অবস্থা মিরপুর-নিউ মার্কেট সড়ক ও শাহবাগ-ফার্মগেইট সড়কে। পল্টন-মতিঝিল এলাকার সড়কেও গণপরিবহন কম।

কাকরাইল এবং তেঁজগাওয়ের বিজয় সরণী ও সাত রাস্তা এলাকায় ফ্লাইওভারগুলোর কারণে অন্যান্য দিন যানজট থাকলেও আজ কিছুটা কম দেখা গেছে।

ট্রাফিক উত্তরের উপ-কমিশনার প্রবীর কুমার ব্রেকিংনিউজকে বলেন, মহাখালী-বনানী এলাকায় যানজট কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে। তবে উত্তরার দিকে সড়কে উন্নয়নের কাজ চলায় কিছুটা ধীর গতি রয়েছে গাড়ি। কিন্তু এটা তীব্র নয়। গণপরিবহন সংকটের ব্যাপারে তিনিও কিছু জানাতে পারেননি।

এদিকে যাত্রীদের কেউ কেউ পায়ে হেঁটে চলাচল করলেও দূর পথের যাত্রীরা পড়েছেন বিপাকে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা সড়কের পাশে অপেক্ষায় পরও দেখা মিলছে না বাসের। মাঝে মধ্যে দু’একটা বাস পেলেও সেগুলোর দরজা বন্ধ থাকে।

তবে ঐক্যফ্রন্টের জনসভাকে ঘিরে পরিবহন শ্রমিকদের সিন্ডিকেট দল পরিবহন কমিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ঐক্যফ্রন্টের নেতাকর্মীরা।

এদিকে যানজট এবং বাস সংকটের কবলে পড়ে চরম বিপাকে পড়েছেন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও কর্মজীবীরা। একদিকে যানজট, অন্যদিকে তীব্র গরমে হাঁপিয়ে উঠা নগরবাসীর দুর্ভোগের মাত্রা যেন বেড়েছে বহুগুণ। এতে এমন দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন নগরবাসী।