ভোটের দিন দল বেঁধে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিন :মির্জা ফখরুলের

প্রচ্ছদ

মির্জা ফখরুলের আহবান ॥ ভোটের দিন দল বেঁধে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিন ॥

গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য ধানের শীষে ভোট দিন : রফিক মৃধা, দিনকাল :

ভোটের দিন দল বেঁধে কেন্দ্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে বলেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম

আলমগীর। গতকাল দুপুরে কুমিল্লার চান্দিনায় এক নির্বাচনি সভায় বিএনপি মহাসচিব

স্থানীয় নেতা-কর্মী সমর্থকদের প্রতি এই আহবান জানান। : তিনি বলেন, আপনাদের একটি

ভোটে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আসবে, দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে। ৩০

ডিসেম্বর আপনারা দল বেঁধে ভোট কেন্দ্রে যাবেন, ভোট দেবেন এবং ভোট গণনা শেষ না

হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র ছাড়বেন না। ভোট কেন্দ্র পাহারা দেবেন। কুমিল্লা-৭ আসনে (চান্দিনা)

ধানের শীষের প্রার্থী  রেদোয়ান আহমদকে ভোট দেবার জন্য এলাকাবাসীর প্রতি আহবান

জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। : প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সমালোচনা করে

মির্জা ফখরুল বলেন, একটা নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। সেই কমিশনের একজন

কমিশনার বলেছেন নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নাই। আর প্রধান নির্বাচন কমিশনার

বলছেন না না সব ঠিক আছে। এ সময় উপস্থিত নেতা-কর্মীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ সেøাগান দিতে থাকে।

: নেতা-কর্মীদের সাথে একমত পোষণ করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ভুয়া, সরকার

ভুয়া। তারা এক সাথে মিলে গণতন্ত্রকে জবাই করছে। আমরা বলতে চাই, জনগণ তা মেনে নেবে না।

: ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, এ নির্বাচনে কোনো নিরপেতা নেই। এখানে অবাধ ও

সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো পরিবেশ নেই। নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হতে যাচ্ছে। দেশের

মানুষ এসব সব বোঝে। আমি বলতে চাই, জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় সরকারের সব

ষড়যন্ত্র ও কলাকৌশল ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা

জিয়াকে সরকার ‘অন্যায়ভাবে’ কারাগারে আটকিয়ে রেখেছে বলে অভিযোগও করেন

বিএনপি মহাসচিব। : গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন, নারী শিা, কৃষিখাত,

বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবাসহ বিএনপির ইশতেহারে নানা বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি

শান্তিময় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না। :

শুধু তাই নয়, আমরা মতায় গেলে সকল মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করবো। হিন্দু-

বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানসহ সংখ্যালঘুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠনের কথা বলেছি। আমাদের

দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান তারা দাড়ি রাখেন। এখন দাড়ি রাখলে জঙ্গি বলা হয়।

দাড়ি রাখা আমাদের কৃষ্টি ও ঐহিত্য। : চান্দিনা ড. রেদোয়ান আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়

কলেজ মাঠে এই নির্বাচনি সভা হয়।  সভার শেষ দিকে কুমিল্লা-৭ আসনে রেদোয়ান

আহমেদ ও কুমিল্লা-৩ আসনে কাজী মুজিবুল হকের হাতে ধানের শীষ তুলে দেন ফখরুল।

: এর আগে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে সকাল ১০টায় সড়ক পথে চান্দিনা

ও সোয়াগাজী দুটি নির্বাচনি সভায় যোগ দিতে রওনা হন বিএনপি মহাসচিব। চান্দিনার

আগে দাউদকান্দি বাস স্ট্যান্ডের সামনে কুমিল্লা-১ ও কুমিল্লা-২ আসনের দলের প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নেতা-কর্মীরা সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে সেøাগান দেয়।

নেতা-কর্মীদের হাতে ধানের ছড়া ও খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড

ছিলো। : খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছেলে ব্যারিস্টার খন্দকার মারুফ হোসেন

বিএনপি মহাসচিবকে অভ্যর্থনা জানান। সেখানে হ্যান্ড মাইকে মির্জা ফখরুল ইসলাম

আলমগীর সকলকে ৩০ ডিসেম্বের ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে

ভোট দেবার আহবান জানান। : এছাড়া কুমিল্লার মিয়াবাজার সড়কে কুমিল্লার মেয়র

মনিরুল হক সাক্কুর নেতৃত্বে জেলা নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা বিএনপি মহাসচিবকে করতালি

দিয়ে স্বাগত জানান। : সুয়াগাজীতে নির্বাচনি সভায় ফখরুল : মনিরুল হক চৌধুরীর পে

ভোট চাইতে গিয়ে আবারো কাঁদলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিকালে কুমিল্লার

সুয়াগাজী পুরাতন হেলিপ্যাড মাঠে এক নির্বাচনি সভায় বিএনপি মহাসচিব ভোট চাইতে

গিয়ে একরকম আবেগ প্রবণ হয়ে কাঁদলেন। মনিরুল হক চৌধুরীর মেয়ে ঢাকা

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌসকে পাশে রেখে এরকম

পরিস্থিতিতে পুরো মাঠের নেতা-কর্মীদের অনেককে কাঁদতে দেখা যায়। : মির্জা ফখরুল

ইসলাম আলমগীর বলেন, এই যে আমার মেয়ে শাম্মী। এতো কথা বলেছে কার জন্যে?

তার তো আজকে জনসভায় কথা বলার কথা নয়। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা।

তার গবেষণা করার কথা, ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ানোর কথা। বাবার জন্য ছুটে বেড়াচ্ছে। :

আমি আজকে আপনাদের সকলের কাছে একটা করে ভোট ভিা চাইব। আমার হৃদয়ের

বন্ধু মনিরুল হক চৌধুরীর মুক্তির জন্য একটা ভোট ভিা চাচ্ছি, আমি একটা ভোট ভিা চাচ্ছি

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য, আমি ভোট চাচ্ছি কারাবন্দি নেতা গফুর

ভুঁইয়া ও মোবাশ্বের আলী ভুঁইয়ার মুক্তির জন্য। : অশ্রুসজল কন্ঠে তিনি বলেন,

আপনাদের যে ভাইরা এখানে সামনে, যে ছোট ছোট ছেলেরা দাঁড়িয়ে আছে তাদের মধ্যে

অনেকে ঢাকায় রিকশা চালায়। এদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তারা পালিয়ে থাকে, হকারি

করে তারা। এটা কী আমাদের স্বাধীনতার আশা-আকাক্সক্ষা, এটা কী স্বপ্ন। আমাদের

স্বাধীনতার সমস্ত স্বপ্নকে চুরমান করে খান খান করে দিয়েছে এই আওয়ামী লীগ। :

কুমিল্লা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী পরিকল্পনামন্ত্রী লোটাস কামালের প্রতি ইঙ্গিত

করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, হুমকি দিয়ে বলে এখানে (কুমিল্লা-১০) ২৭ তারিখ থেকে

নাঙ্গলকোর্টে আর কোনো বিএনপি থাকবে না। আমি বলি আপনি কে? আপনি কি

জমিদার? আপনি কী রাজা? এই কথা বলার আপনি কে ?” : এই মাটি আমাদের, এই দেশ

আমাদের। এখানে সবাই থাকব। ভোট দেবো ৩০ ডিসেম্বর। ধানের শীষে ভোট দিয়ে

মনিরুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী করে আপনাকে এখান থেকে বিদায় করবো। : তিনি বলেন,

আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছি এই আওয়ামী লীগকে সরিয়ে দেবো। আমরা এদেশে

মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করবো। যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন আজকে তারা এক হয়েছেন।

আজকে বুঝতে হবে, জানতে হবে। এখানে ধানের শীষকে যদি জয়ী করতে না পারি

তাহলে মনিরুল হক চৌধুরী বের হবেন না, গফুর ভুঁইয়া বের হবেন না, মোবাশ্বের আলী

ভুঁইয়া বের হবেন না, হাজারো নেতা-কর্মী যাদের মিথ্যা মামলায় জেলে রাখা হয়েছে তারা

কেউ বের হবেন না। সবচেয়ে বড় আমাদের গণতন্ত্রের মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা

জিয়া মুক্ত হবেন না। ফিরিয়ে আনতে পারবো না আমাদের নেতা তারেক রহমানকে।

সেজন্য জোটবদ্ধভাবে সাহস করে আমাদের দাঁড়াতে হবে। যতই বিপদ আসুক, যতই ভয়

দেখাক, হুমকি দেখাক, যতই গ্রেফতার করা হোক কোনো কিছুর কাছে আমরা মাথানত

করবো না। ৩০ তারিখ পর্যন্ত জনগণের ঘরে ঘরে যান, ভোট চান। : কৃষক শ্রমিক জনতা

লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন,  আগামী ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশের মুক্তির দিন, আগামী ৩০ ডিসেম্বর মানুষের মুক্তির দিন। একজন এই সময়ে বললেন

আপনি বঙ্গবন্ধুকে মনে করে রাজনীতি করেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা একটা ভোটের জন্য মানুষকে মারে। : আপনাদের বলতে চাই, আলেমের ঘরেও জালেম হয়। আপনারা শৃঙ্খলা

রাখতে পারেন, উস্কানির মধ্যেও যদি শৃঙ্খলা রাখতে পারেন আমি বিশ্বাস করি একাত্তর

সালে যেভাবে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী পারেনি, আগামী ৩০ ডিসেম্বরও এই সরকার

পারবে না। দারোগা-পুলিশ দিয়ে যাই হোক নির্বাচনে জয়লাভ করা যায় না। ইনশাল্লাহ

আপনারা যদি আপনাদের নেত্রীর মুক্তি চান তাহলে ৩০ ডিসেম্বর ধানের শীষে ভোট দিতে

হবে। মনে রাখতে হবে সারাদেশে ধানের শীষের প্রার্থী একই জনই। তিনি হচ্ছেন বেগম

খালেদা জিয়া। মনিরুল হক চৌধুরী, আমাদের মেয়ে কুঁড়ি সিদ্দিকী এরা ধানের প্রতীক

মাত্র। : শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, তারা বলে

তারা নাকি স্বাধীনতার পরে শক্তি। আমি বলছি, আমরা স্বাধীনতার পে নয়, আমরাই

স্বাধীনতা। যেখানে জিয়াউর রহমান আছেন, যেখানে ড. কামাল হোসেন আছেন, যেখানে

আসম আবদুর রব আছেন, যেখানে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী আছেন, যেখানে মান্না

আছেন সেখানে কী প লাগে। আমরাই স্বাধীনতা। : আপনাদের বলব, পোস্টার ছিঁড়ে

ফেলছে, রাতে গ্রেফতার করছে, অত্যাচার করছে- এদিকে তাকাবেন না। আমার মনে হয়,

এ সরকার ও তাদের পুলিশ ভয় পেয়েছে। তাই তারা আক্রমণ করছে। আমরা ভয় পাবো

না। ভোটের দিন সকলে ভোট কেন্দ্রে যাবেন। : নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা

নজরুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে সরকারি দলের প অবলম্বন করে বিরোধী নেতা-কর্মীদের

ওপর নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ এনে অবিলম্বে তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানান ফখরুল।

: কারাগারে দীর্ঘ ১২ দিন ধরে অনশনে থাকা মনিরুল হক চৌধুরীর প্রতি বিনীত আহবান

জানিয়ে তিনি বলেন, মনিরুল হক চৌধুরী জেলখানায় ১২ দিন ধরে অনশন করছেন

কেন? তাকে তার নেতা-কর্মীদের সাথে দেখা করতে দেয় না। তিনি নির্বাচনে প্রার্থী

হয়েছেন, নির্বাচনে কোনো সুবিধা দেয়া হচ্ছে না। : আমি এই মঞ্চ থেকে আহবান জানাতে

চাই, আপনি কার কাছে দাবি জানাবেন। এদের তো কানে মোহর দিয়ে দিয়েছে আল্লাহ।

এরা কিছু শুনতে পায় না, বধির। এদের বুকের মধ্যে কোনো দয়া-মায়া নেই, মানুষের জন্য

মন কাঁদে না।। আমি বলছি এখানে লাখো মানুষ অনুরোধ জানাচ্ছে দয়া করে আপনি

অনশন ভঙ্গ করুন, এদেশের মানুষের জন্য আপনি বেঁচে থাকুন। : অশ্রুসজল কন্ঠে

মনিরুল হক চৌধুরীর মেয়ে ড. চৌধুরী সায়মা বলেন, আমার বাবা মনিরুল হক চৌধুরী।

এই মাঠ, এই স্টেডিয়াম এসব মনিরুল হক চৌধুরীর। আজকে তাকে অন্যায়ভাবে

কারাগারে নেয়া হয়েছে। : ৩০ তারিখে এর জবাব দিতে হবে ধানের শীষে ভোট দিয়ে।

কুমিল্লার ছেলেরা মার খাচ্ছে তার মুক্তির দাবিতে। সবাই ঐক্যবদ্ধ হোন। ৩০ তারিখ এক

সঙ্গে ভোট দিতে প্রস্তুতি নিন। : চান্দিনার নির্বাচনি সভা শেষ করে কুমিল্লা-১০ আসনের

নির্বাচনি সভায় যোগ দেন বিএনপি মহাসচিব। কুমিল্লা-১০ আসনের প্রবেশ পথে মোটর

সাইকেল শোভাযাত্রা সহকারে মির্জা ফখরুলের গাড়ি নিয়ে আসে সুয়াগাজীর চৌয়ারায়

মনিরুল হক চৌধুরীর বাসায়। সেখান দুপুরে খাবার খেয়ে নির্বাচনি সভায় আসেন। :

সুয়াগাজীর চৌয়ারায় রাস্তার দুই পাশে মনিরুল হক চৌধুরীর ছবি সম্বলিত পোস্টার দেখা

গেছে। এরকম পোস্টার চান্দিনায় ধানের শীষের প্রার্থী রেদোয়ান আহমেদের নির্বাচনি

এলাকায় দেখা গেছে। : এই নির্বাচনি সভায় দলের কেন্দ্রীয় নেতা কামরুজ্জামান রতন,

মিয়া মোস্তাক আহমেদ, আবদুল আউয়াল খান, শামসুদ্দিন দিদার, মইনুল ইসলাম বাবুল,

শহিদুজ্জামান মজুমদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। : গতকাল বুধবার বিকেলে কুমিল্লা-১০

আসনের ধানের শীষের কারাবন্দি প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর সুয়াগাজীর জনসভায় তিনি

এসব কথা বলেন। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সিটি করপোশনের মেয়র মনিরুল

হক সাক্কু, বিএনপির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল খান, মোস্তাক

আহমেদ মিয়া, বিএনপি নেতা শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন ভূইয়া শিশির, বিএনপি চেয়ারপারসনের

মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খানসহ লাখ লাখ মানুষ জনসভায় অংশ নেন।

গতকাল সকালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয় থেকে কুমিল্লায়

প্রচারণায় মহাসচিবের গাড়ি বহর যাত্রাকালে রাস্তার দু পাশে হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে

ধানের শীষের পক্ষে সেøাগান দিতে থাকে। চান্দিনার আগে দাউদকান্দি বাসস্ট্যান্ডের

সামনে কুমিল্লা-১ ও কুমিল্লা-২ আসনের দলের প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের

নেতা-কর্মীরা সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে সেøাগান দেয়। নেতা-কর্মীদের হাতে ধানের ছড়া

ও খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ছিলো। খন্দকার মোশাররফ

হোসেনের ছেলে ব্যারিস্টার খন্দকার মারুফ হোসেন বিএনপি মহাসচিবকে অভ্যর্থনা

জানান। সেখানে হ্যান্ড মাইকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সকলকে ৩০ ডিসেম্বের

ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে ভোট দেবার আহবান জানান। এছাড়া

কুমিল্লার মিয়াবাজারের সড়কে কুমিল্লার মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর নেতৃত্বে জেলা

নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা বিএনপি মহাসচিবকে করতালি দিয়ে স্বাগত জানায়। : : :