‘বাঙ্গালীর পাঠশালা’র উদ্যোগে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

প্রচ্ছদ

‘বাঙ্গালীর পাঠশালা’ একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে ঢাকা-১৬ আসনের ২,৩ ও ৫নং ওয়ার্ডের প্রায় ১হাজার হতদরিদ্র পরিবারের ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার সারাদিন ব্যাপী এ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এ সময় প্রতিটি দরিদ্র পরিবার উন্নতমানের সেমাই চিনি, নগদ অর্থ ও ঈদ সামগ্রী পেয়ে খুব খুশি।

জানা যায়, বাঙ্গালীর পাঠশালা’র স্বপ্নদ্রষ্টা সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী, মুক্তির লড়াই পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ড. নয়ন বাঙ্গালী দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার দরিদ্র রোজাদার ও দুস্থদের মধ্যে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করে আসছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তার মা পল্লবীর বার বার নির্বাচিত জনপ্রিয় কমিশনার বেগম মেহেরুন্নেসা হকের অর্থায়নে এ বছর ব্যাপক পরিসরে ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়।

এজন্য প্রায় ২ সপ্তাহ আগে থেকে প্রতিটি ওয়ার্ডের সুশীল সমাজ ও দলীয় নেতৃবৃন্দের প্রচেষ্টায় প্রকৃত দুস্থদের নামের তালিকা করা হয়। সেই তালিকা অনুযায়ী শুক্রবার সারাদিনব্যাপী দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী তুলে দেন ড.নয়ন বাঙ্গালী দা’র ছোট ভাই নাদিম বাঙ্গালী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি ন্যাশনাল ইয়ুথ ফোরামের প্রেসিডেন্ট এম. আমিনুল ইসলাম মুনীর, সেক্রেটারি সোহান হাফিজ, বিশিষ্ট আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল ওয়াদুদ দুলাল, গার্মেন্টস লেবার ফেডারেশনের উপদেষ্টা সম্পাদক ইকরামুল হক, যুগ্ম সম্পাদক শাহজাদ আক্তার সাজু, বাঙ্গালীর পাঠশালার উপদেষ্টা সম্পাদক সাদেক আহমেদ ভূঁইয়া (রিপন), ব্র্যান্ড বাঙ্গালীর সিইও মনজুর এলাহী তপনসহ কমিশনার মেহেরুন্নেসা হকের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা আমিনুল হক, পলাশ প্রমুখ।
এ বিষয়ে নেতাজী নয়ন বাঙ্গালী দা বলেন, আমার মা বেগম মেহেরুন্নেসা হককে দেখেছি গরিব দুস্থদের জন্য সব সময় কাজ করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এলাকার দুস্থ রোজাদারদের জন্য ইফতার ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। যতদিন বেঁচে আছি অসহায় বঞ্চিত মানুষ ও এলাকার উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাব ।
ইনশাল্লাহ