প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

সারাদেশ

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পল্লী চিকিৎসকের ভুলে কিশোরীর মৃত্যুর অভিযোগ শীর্ষক নামক যে সংবাদটি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও অনলাইন সংবাদে প্রচার হয়েছে সেই সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে আমি পল্লী চিকিৎসক শফিউল আলমকে জড়িয়ে যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত সত্য ঘটনা হলো উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ভিতরচর গ্রামের শহীদুল ইসলাম মজুমদারের মেয়ে সালমাকে নিয়ে তার বোন ২৬ এপ্রিল সন্ধায় আমার চেম্বারে এসে আমাকে বলে বাড়ির পাশে ঝুলানো দোলনায় চড়তে গিয়ে গাছের সঙ্গে হাঁটুর ধাক্কা লাগে সালমার। এরপর ব্যথার কারণে হাঁটতে সমস্যা দেখা দিয়েছে। আমি সালমার হাঁটু দেখার পর তার পরিবারের সদস্যদের বলি যে এটাকে এক্স-রে করা ছাড়া আমি বলতে পারব না কি হয়েছে, আমার এখানে এক্স-রে মেশিন নাই আপনারা তাকে চৌদ্দগ্রাম বা কুমিল্লা নিয়ে যান সেখানে গেলে এক্স-রে করলে বলা যাবে হাঁটু ভাঙছে কিনা । তখন তার বোন আমাকে বলে আচ্ছা আপনি আপাতত ব্যাথা কমার জন্য একটা ঔষধ দেন। আমি তখন তাকে ব্যাথার জন্য নরমাল প্যারাসিট্যমল টেবলেট খেতে দিয়েছি এবং বলেছি কালকে আপনারা তাকে এক্স-রে করান। তারপর তারা আমার চেম্বার থেকে চলে যায়। এর ৪ দির পর ৩০ এপ্রিল তারা সালমাকে নিয়ে আবার আমার চেম্বারে আসে এবং এবার বলে যে সালমার প্রচন্ড জ্বর,গলা ব্যাথা ও শ্বাসকষ্ট হচ্ছে এই কথা শোনার পর পর আমি তাদেরকে বলি আমার পক্ষে এই রোগীর ঔষুধ দেয়া সম্ভব নয় আপনারা অন্য কোথাও নিয়ে যান তখন তারা রোগীকে নিয়ে ৩০ এপ্রিল কাশিনগর বাজারের ফাস্ট এইড হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে রোগী একরাত ভর্তি থাকে। পরদিন সকালে রোগীকে হাসপাতাল থেকে বাড়ীতে নিয়ে আসে। বাড়ীতে আনার একদিন পর রোগীর মৃত্যু হয় বলে আমি শুনতে পেরেছি। মৃত্যুর পর তারা সালমার লাশ দাফন করে। কিন্তু আমি জানিনা মৃত্যুর ৮ দিন পর সালমার পরিবার কার ইন্দনে কোন সড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে আমাকে জড়িয়ে সংবাপত্রে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন ও আমার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযােগ দাখিল করেছে। এই ঘটনায় যদি আমি জড়িত থাকতাম তাহলে সালমার মৃত্যুর সাথে সাথে কেন তারা আমার বিরুদ্ধে এসব কথা তুলল না। এতদিন পর তারা মুলত সমাজে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য উদ্দ্যশ্য প্রনীতভাবে আমার বিরুদ্ধে এ সড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আমি তো কোন চিকিৎসা ই করলাম না। আর তারা বিভিন্ন পত্রিকাতে আমার নামের যে প্যাডটিতে বিভিন্ন ঔষুধের নাম লিখেছে সেই চিকিৎসাপত্রটি আমার লেখা নয় এটি তারা হয়ত কোন কম্পিটার দোকান থেকে বানিয়ে নিয়ে ঔষধের নাম লিখেছে আমাকে বিপদে ফেলতে। আমার হাতে লিখার সাথে সেই চিকিৎসাপত্রটিতে লিখার কোন মিল নেই। আমি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিকট অনুরোধ করব উক্ত বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে সঠিকভাবে তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য উৎঘাটিত হবে। আমি শতভাগ চ্যলেঞ্জ করে বলতে পারি ইনশাআল্লাহ প্রকৃত সত্য উৎঘাটন হলে আমি সম্পুর্ন নির্দোষ প্রমাণীত হবো। শফিউল আলম