নয়াপল্টনে ‘ট্রাফিকের’ দায়িত্বে বিএনপি কর্মীরা

জাতীয় জাতীয় নির্বাচন

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় দলটির কর্মী-সমর্থকদের সেখানে সুষ্ঠুভাবে যান চলাচলের কাজে সহায়তা করতে দেখা গেছে।

গতকাল বুধবার পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, সংঘর্ষ ও পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় একাধিক মামলা হলেও আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নেতাকর্মীদের দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে দেখা যায়।

দলীয় কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় গাড়ি চলাচলের সুযোগ করে দিতে কাজ করছেন বিএনপি কর্মীরা। শান্তিপূর্ণভাবে রাস্তায় যান চলাচলে সহযোগিতা করছেন কর্মীরা।

গত তিন দিনের মতো আজ বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিনেও কয়েক হাজার নেতাকর্মী দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে মিছিল করছেন। মনোনয়ন ফরম কিনতে ও জমা দিতে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে মিছিল করতে করতে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আসছেন বিএনপি নেতারা।

দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে কয়েক হাজার বিএনপি নেতাকর্মী জড়ো হয়েছেন। একই সঙ্গে গাড়িও চলছে। বিএনপি কর্মীরা যান চলাচলে সহায়তা করছেন, তবে সেখানে পুলিশের উপস্থিতি নেই।

যান চলাচলে সহায়তাকারী স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী শাওন এনটিভি অনলাইনকে বলেন, ‘কোনো সমস্যা যাতে না হয়, সে জন্য সর্বপ্রকার সহযোগিতা করছি। নিজেরাই গাড়ি চলাচলে সহযোগিতা করছি।’

এর আগে সকাল সোয়া ১১টার দিকে প্রধান কার্যালয়ে আসেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকালের ঘটনায় গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা পল্টন এলাকা প্রদক্ষিণ করেছেন। এ ছাড়া অসংখ্য নেতাকর্মীকে কার্যালয়ের আশপাশের অলিগলিতে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

এদিকে গতকালের সংঘর্ষ ও পুলিশের গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তিনটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এসব মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও তাঁর স্ত্রী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসকে মূল আসামি করা হয়েছে।

দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমাদান চলাকালে বুধবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে দলটির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশের একটি পিকআপভ্যানসহ দুটি গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।