ডাবল সেঞ্চুরি করতেই পারতেন রোহিত

খেলাধুলা

সোমবার রাতে নিজেদের ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ রানের ব্যবধানে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। স্বাগতিকদের ৩৭৭ রানের জবাবে ক্যারিবীয়রা অলআউট হয় ১৫৩ রানে, ভারত জয় পায় ২২৪ রানে।

এ জয়ে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান রোহিত শর্মা। টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে রোহিত শর্মা খেলেন ১৬২ রানের দুর্ধর্ষ ইনিংস। তার সাথে আম্বাতি রাইডু দায়িত্বশীল সেঞ্চুরি করলে ভারতের সংগ্রহ গিয়ে ঠেকে ৩৭৭ রানে।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে রোহিত খেলেছিলেন ১৫২ রানের অপরাজিত ইনিংস। যা ছিলো তার ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ১৫০+ রানের ইনিংস। ওয়ানডে ইতিহাসে ছয়টি ১৫০+ রানের ইনিংস খেলার রেকর্ড নেই আর কারও। এই রেকর্ডকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে নিয়েছেন হিটম্যান খ্যাত এ ব্যাটসম্যান।

ক্যারিয়ারের সপ্তম দেড় শতাধিক ইনিংসটি খেলার পথে রোহিত সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরির। কিন্তু অ্যাশলে নার্সের সাদামাটা এক ডেলিভারিতে উইকেট বিলিয়ে আসায় ১৬২ রানেই থেমে যায় তার ইনিংস। মাত্র ১৩৭ বলের ইনিংসে ২০টি চার ও ৪টি ছক্কা হাঁকান ডানহাতি এ ওপেনার।

রোহিত আউট হওয়ার সময় ভারতের ইনিংসে বাকি ছিল ৩৭টি বল, তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ ডাবল সেঞ্চুরির জন্য দরকার ছিলো মাত্র ৩৮ রান। একটু রয়ে-সয়ে খেললে আবারও ডাবল সেঞ্চুরি করেই ফেলতে পারতেন রোহিত। তবে ম্যাচ শেষে তিনি জানিয়েছেন কখনো দুইশ করার কথা মাথায় আনেন না, তাই এটি নিয়ে বাড়তি ভাবনাও কাজ করে না ব্যাটিংয়ের সময়।

রোহিত বলন, ‘ব্যাটিংয়ের সময় আমি কখনো সেঞ্চুরি বা ডাবল সেঞ্চুরির কথা ভাবি না। আমি শুধু নেমে ব্যাটিং করতে চাই, রান করতে চাই এবং দলকে ভালো একটা অবস্থানে নিয়ে যেতে চাই। আমি যে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি করেছি, সেগুলোর একটাতেও ভাবিনি যে দুইশ হবে বা এমন কিছু। খেলতে খেলতেই হয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এমনকি আজও (আম্বাতি) রাইডু আমাকে বলছিলো যে আমি দুইশ করতে পারব। কিন্তু আমি দুইশ’র কথা না ভেবে আমার ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিতে চাচ্ছিলাম। আমি চাচ্ছিলাম যত বেশি রান করে রাখা যায়। কারণ এই মাঠে (মুম্বাইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়াম) দ্বিতীয় ইনিংসে বোলিং করাটা সহজ নয়। তবে আমরা অসাধারণ বোলিং করে তাদের অলআউট করে দিয়েছি।’