জনস্রোতে সিক্ত কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক

প্রচ্ছদ

 আসন্ন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ড এ এবার ক্ষমতাসীন দলীয় মনোনীত না হয়েও নির্বাচনে অংশ গ্রহন করছেন কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক। নির্বাচনে মার্কা বরাদ্দ পেয়ে এলাকায় তাকে নিয়েই আনন্দ উল্লাসে মেতেছেন এলাকাবাসী। নির্বাচনী প্রচারে নামার আগেই তার সাথে যক্ত হয়েছেন এলাকার হাজার হাজার মানুষ। গত শুক্রবার বিকেলে সাবেক এই কাউন্সিলর আসরের নামাজ শেষে নিজ মহল্লায় এলাকাবাসীর সাথে কথা বলতে বের হলে তার সাথে মুহুর্তেই যুক্ত হয়ে যায় ওই ওয়ার্ডের কয়েক হ্জ্র মানুষ।এ বিষয়ে কাজী জহিরুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন নির্বাচনে আমি স্ব ইচ্ছায় অংশ গ্রহন করছিনা। শুধু মাত্র আমার ওয়ার্ডের বসবাসরত মানুষের ভালবাসা, তাদের অনুরোধ আর তাদের চাওয়া পূরণ করতেই আমার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মূল কারণ। গতবার নির্বাচনে এলাকাবাসীর ভালবাসায় আমি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিলাম। এবার আমার মার্কা পেয়েছি রেডিও এবারো আমার এলাকাবাসী আমাকে বিপুল ভোটে জয়জুক্ত করবে বলে আমি আশা করি। আমার ওয়ার্ডের ৯০ ভাগ অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে। আমার ওয়ার্ডে ১০ নং সেকশন থেকে ১১ নং সেকশনে যাতায়াতের অভ্যন্তরীন দুটি বর্ডার রাস্তা এককবারে বেহাল দশায় ছিল। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর পরই এই রাস্তাসহ অন্যান রাস্তা গুলি প্রশস্থ আকারে যাতায়াতের উপযোগী করেছি। প্রতিটি ফুটপাথে কিছু দুর পরপর গাছ লাগিয়েছি। শুধু ফুটপাথেই না এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে ওয়ার্ডের বেশিরভাগ বাসা বাড়ির ছাদে বিভিন্ন গাছ লাগিয়ে ছাদ বাগান গড়েছি। ২০১৬ সালে ৫ই জানুয়ারি সাবেক মেয়র, স্থানীয় এমপি ও ৯৭টি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকা এবং ছাত্র, ছাত্রীদের নিয়ে মুকুল ফৌজ স্কুলে ২০ হাজার গাছ দিয়েছি বিনামুল্যে। এলাকাবাসী, মসজিদের ইমাম, স্কুল কলেজের শিক্ষক শিক্ষিকা, নেতাকর্মী সকলকে সাথে নিয়ে মাদক নিমূল করেছি শতভাগ। আপনার জেনে থাকবেন আমার ৩ নং ওয়ার্ড মাদকের অভয় অরণ্য ছিল। কোন ক্যাম্প থেকে কোন মাদক ব্যবসায়ী যাতে ব্যবসা করতে না পারে সেজন্য আমি বারবার উঠান বৈঠক করেছি। আমি এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে ১২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে থানা পুলিশর কাছে সোর্পদ করেছি। ১০০ জনের বেশি মানুষকে রিহাবে দিয়েছি অনেককে চিল্লায় পাঠিয়েছি। এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা খুবই খারাপ ছিল এই ওয়ার্ডে। অধিকাংশ রাস্তা ডুবে থাকতো ড্রেনের নোংরা পানিতে। আমি এই সমস্যার সমাধান করেছি এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তাদের সহযোগীতায় তাদের নিজ জমির অংশ নিয়ে প্রায় আড়াই কিলোমিটার ড্রেন করেছি। আমার এলাকায় খেলার মাঠ ছিলনা। বিএনপির আমলে তাদের কিছু লোকজনকে ডুইপ প্লট নামে একটি জায়গা দখল করে রেখেছিল। আমি তা স্থানীয় এমপিকে সাথে নিয়ে সেই জায়গাটি খালি করে খেলার মাঠের ব্যবস্থা করেছি। আমি আমার এলাকার মানুষের কল্যাণেই নিয়োজিত থাকবো আজীবন।