ছাত্রনেতা থেকে জননেতা শাহে আলম মুরাদ

সারাদেশ

শাহাদাত রাসেল চৌধুরীঃ
স্কুল জীবনে থেকে ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া এক জনপ্রিয় নেতা ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামীলীগের কর্মীবান্ধব এই নেতা শাহে আলম মুরাদ। মুক্তিযুদ্ধের সময় যোদ্ধাদের আশ্রয় ছিলো শাহে আলম মুরাদের বাবা বাড়ি বরিশালের মেহেদীগঞ্জে। বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে সামনে নিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ভালোবেসে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতি জড়ান শাহে আলম মুরাদ, মেধাবী ছাত্র হিসেবে এবং দক্ষ ছাত্রনেতা হিসেবে দায়িত্ব পান অবিভক্ত ঢাকা মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে নেতৃত্বে থাকা এই নেতা নির্যাতিত হয়েছেন বহুবার তবুও বঙ্গবন্ধু আর্দশ থেকে এক বিন্দুও সরে আসেননি নিজের জীবন বাজী রেখে লড়াই করেন রাজপথে যার পুরুষ্কার হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব প্রধান করেন। বহু ষড়যন্ত্রের জাল উপক্ষে করে দায়িত্ব পালন করেন।- এক এগারোতে শেখ হাসিনাকে যখন সেনা সর্র্মথীত সরকার গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাচ্ছিলো নেত্রীর গাড়ি বহরের সাথে নিজে গার্ডদিয়ে নিয়ে গিয়েছিল তার প্রিয় নেত্রীকে, সেনাবাহিনীর লাঠিচার্জ এরকারনে তার পায়ের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে চলে গিয়েছে।শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনের আগ্রনী ভুমিকায় থাকা এই নেতা আওয়ামীলীগের প্রতিটি দূর সময়ে শেখ হাসিনার সিপাহীসালার হিসেবে ভূমিকা রেখেছে রাজপথে, পরবর্তীতে নেত্রী তাকে ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসবে দায়িত্ব দেন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করার লক্ষে বিচরন করেন প্রতিটি ওয়াডে পরিচ্ছন্ন এই নেতার জনপ্রিয়তার শীর্ষে শুধুমাত্র সাধারণ কর্মীদের প্রতি তার ভালোবাসা সবসময় পাশে থাকার,চাঁদাবাজি জমিদখল সহ সব ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ কারার কারনে বর্তমান সময়ের তুমুল জনপ্রিয় এই জননেতা। সততার ক্ষেত্রে কখনো আপস করেননি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আস্তা নষ্ট হবে এমন কাজ কখনো করেনি বেক্তিগত জীবনে নিজের কোনো ধরনের বাজে অভ্যাস নেই এমনকি ধুমপান ও করেননা। নিজের সহধর্মিণী অসুস্থ থাকা অবস্থায়ও চালিয়ে যাচ্ছেন সরকারি চাকরি, খুবই সাধারণ জীবন যাপনে অব্যস্থ জনপ্রিয় এই নেতা। ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামীলীগের সকল নেতা কর্মীর প্রিয় এই নেতাকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের আগামী সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চান নেত্রীর অনুমতি ক্রমে। তিনি নিজেও বলেন নেত্রী যখন যে দায়িত্ব দিয়েছেন সেটা তিনি জীবন দিয়ে সফলতার সাথে পালন করার চেষ্টা করেছেন আগামিতেও নেত্রী যে জায়গায় প্রয়োজন মনে করে দায়িত্ব দিবেন সেটা তিনি সততার সাথে জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে পালন করবেন জনগনের ভালোবাসা নিয়ে।