‌‘১৮৯ জনের কেউ বেঁচে নেই’

আন্তর্জাতিক

ইন্দোনেশিয়ার উত্তর জাভা দ্বীপের কাছে সমুদ্রে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানের কোনো আরোহী বেঁচে নেই। এমনটিই জানিয়েছে দেশটির অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থা।

উদ্ধারকারী সংস্থার অপারেশনাল ডিরেক্টর সূর্য বামবাং জানিয়েছেন, লায়ন এয়ারলাইন্সের বিমানে ১৮৯ জন আরোহী ছিলেন এবং এদের কেউ বেঁচে নেই বলেই মনে হচ্ছে। কারণ অনেকের লাশ বহুদূরে পাওয়া গেছে। এখন আমাদের জন্য প্রয়োজন হচ্ছে বিমানের মূল ধ্বংসাবশেষ খুঁজে বের করা।

সোমবার সকালে রাজধানী জাকার্তা থেকে সুমাত্রা দ্বীপের পাংকাল পিনাং শহরে যাওয়ার সময় বোয়িং ৭৩৭ বিমানটি ওড়ার ১৩ মিনিট পর কন্ট্রোল টাওয়ারের সঙ্গে সংযোগ হারিয়ে ফেলে।

এসময় বিমানটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এক হাজার ১১৩ মিটার উপরে ছিল। সমস্যা বুঝতে পেরে বিমানের পাইলট আবার বিমানটি নিয়ে ফিরে আসতে চেয়েছিলেন এবং কন্ট্রোল টাওয়ার তাকে সে অনুমতিও দিয়েছিল কিন্তু এরপরই তিনি যোগাযোগ হারিয়ে ফেলেন।

ইন্দোনেশিয়ার সিভিল এ্যাভিয়েশনের মহাপরিচালক সিন্দু রাহায়ু বলেন, রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হবার আগমুহূর্তে উড়োজাহাজটিকে ফিরে আসতে অনুরোধ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, উড়োজাহাজটিতে ১৭৮ জন প্রাপ্তবয়স্ক যাত্রী, একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক যাত্রী, দুইটি শিশু, দুইজন পাইলট এবং পাঁচজন ক্রু ছিল।

তিনি জানান, উড়োজাহাজটি ৬.২০ টায় আকাশে ওড়ে। এক ঘণ্টা পর ৭.২০ টায় সেটি পাংকাল পিনাংয়ে অবতরণ করার কথা। কিন্তু, ওড়ার ১৩ মিনিটের মাথায় ৬.৩৩ টায় উড়োজাহাজটির সঙ্গে কন্ট্রোলরুমের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

ওই কর্মকর্তা বলছেন, ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করা সম্ভব হলে সবকিছু পরিষ্কার জানা যাবে।